ads

ad

গায়ত্রীমন্ত্র ও গায়ত্রীজপের মহিমা


গায়ত্রীমন্ত্র ও গায়ত্রীজপের মহিমা


তৎসবিতুর্বরেণ্যং,
ভর্গো দেবস্য ধীমহি,
ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ’।।
উচ্চারণের সময় আগে ‘ওম্‌ ভূর্ভুবঃ স্বঃ’ বলে তারপর মূল গায়ত্রী মন্ত্র উচ্চারণ করতে হয়।
ওখানে ‘ভর্গ’ শব্দের অর্থ সূর্যের রশ্মি বা তেজ। ‘ধীমহি’ মানে-- ধ্যান করি। ‘ধিয়’ মানে- বুদ্ধিবৃত্তিসমূহকে, মন্ত্রসমূহকে, কর্মসমূহকে। ‘প্রচোদয়াৎ’ মানে—প্রচোদিত করেন, প্রেরণ করেন।
তাহলে সম্পূর্ণ মন্ত্রের অর্থ হল—
আমরা সেই সবিতা দেবের বরণীয় তেজকে ধ্যান করি যিনি আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিসমূহকে প্রেরণ করেছেন, অর্থাৎ শক্তিসম্পন্ন করে নিজ নিজ কাজে নিয়োজিত করেছেন।
গায়ত্রী মন্ত্রের দ্রষ্টা ঋষি বিশ্বামিত্র। মন্ত্রটি গায়ত্রী ছন্দে রচিত। গায়ত্রী ছন্দের তিনটি পাদে ২৪ অক্ষর, কিন্তু এই মন্ত্রে ২৩ অক্ষর। তাই ছন্দ মেলানোর জন্য ‘বরেণ্যম্‌’ এর স্থানে ‘বরেণিয়ম্‌’ উচ্চারণ করতে হয়।
         বৃহদারণ্যক উপনিষদের ৫ম অধ্যায়ের ১৪শ ব্রাহ্মণে ‘গায়ত্রী’ শব্দের অর্থ করা হয়েছে—
‘সা হৈষা গয়াংস্তত্রে, প্রাণা বৈ গয়াংস্তৎ, প্রাণাংস্তত্রে তদ্‌ যদ্‌ গয়াংস্তত্রে তস্মাদ্‌ গায়ত্রী নাম’।
গায়ত্রী গয়সমূহকে ত্রাণ করে। গয়ই প্রাণ এবং এই গায়ত্রী গয়সমূহকে বা প্রাণসমূহকে ত্রাণ করে বলে এর নাম গায়ত্রী।
         ‘গয়’ শব্দ ‘জি’ ধাতু থেকে উৎপন্ন। যা জয় করা হয়েছে তাই ‘গয়’। বৈদিক সাহিত্যে ‘গয়’ এর অর্থ—গৃহ, ধন, জন ইত্যাদি।
         ব্যাকরণগত ব্যুৎপত্তি অনুসারে গায়ত্রীর অর্থ— যে গানকারীকে ত্রাণ করে, অথবা যে গানের দ্বারা ত্রাণ করে। কাজেই ঋষি-প্রদত্ত অর্থের সঙ্গে ব্যাকরণগত অর্থের কোন মিল নেই।
        ঋগ্বেদের বেশ কয়েকটি স্থানে (২/৩৮, ৪/১৪/২, ৭/৬৩/১-৮ ইত্যাদি মন্ত্রে সূর্যকেই সবিতা বলা হয়েছে। যাস্ক ও সায়নের মতে সূর্য ও সবিতা একই দেবতা, শুধু ভিন্নভাবে প্রকাশিত হন। যাস্কের মতে— রাতের অন্ধকার দূর হওয়ার পর আকাশ রশ্মিদ্বারা যখন আচ্ছাদিত হয়, তখন সেই দেবতাকে বলা হয় ‘সবিতা’। সায়ণাচার্য বলেন— উদয়ের আগে পর্যন্ত (ঊষাকাল) এই দেবতার নাম ‘সবিতা’, আর উদয় থেকে অস্ত পর্যন্ত এর নাম সূর্য।
       ঋগ্বেদের তৃতীয় মণ্ডলের ৬২ নং সূক্তের ১০ নং ঋক্‌ হচ্ছে গায়ত্রী মন্ত্র। এই সূক্তের ১০-১২ ঋকের দেবতা সবিতা। দশমী ঋক্‌ সাবিত্রী মন্ত্র। একাদশ মন্ত্রে সবিতার নিকট অন্ন প্রভৃতি প্রার্থনা করা হয়েছে—
‘দেবস্য সবিতুর্বয়ং বাজয়ন্তঃ পুরন্ধ্যা।
ভগস্য রীতিমীমহে’।
        গায়ত্রী মন্ত্রে ‘ধীমহি’ শব্দের অর্থ ‘আমরা ধ্যান করি’। এখানে অনেক লোক একত্রিত হয়ে ধ্যান করার কথা বলা হয়েছে। এই ধ্যান সবিতার। কাজেই এই সবিতা আদিত্যমণ্ডল বলেই মনে হয়। এখানে ‘ভর্গ’কে ধ্যান করার কথা বলা হয়েছে। ‘ভর্গ’ মানে সূর্যের রশ্মি বা তেজ।
       ঋগ্বেদের পরবর্তীকালে সবিতাকে ব্রহ্ম বা পরমাত্মারূপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। শঙ্ককরাচার্য   ‘সবিতা’ শব্দের অর্থ করেছেন ‘পরমাত্মা’। সায়ণ, উবট ও মহীধর সূর্য ও পরমাত্মা দুই অর্থই গ্রহণ করেছেন। ‘সূ’ ধাতু থেকে সবিতা শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। সূ ধাতুর দুটি অর্থ—প্রেরণ করা, (চালিত করা), প্রণোদিত করা এবং প্রসব করা বা উৎপন্ন করা। যিনি জগৎকে চালিত করেন, বা জগৎকে উৎপন্ন করেন, তিনিই সবিতা। অনেকের মতে— যিনি প্রেরণা দেন, তিনি সবিতা। পরমাত্মাই জগতের প্রেরক ও প্রসবিতা, সেইজন্যই তিনি সবিতা। এইভাবে ধাতুর অর্থ গ্রহণ করে ‘সবিতা’র ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই সবিতা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিকে শক্তিসম্পন্ন করে তাদের নিজ নিজ কর্মে প্রবৃত্ত করেন। এইভাবে যে গায়ত্রী মন্ত্র প্রথমে ছিল সূর্যের ধ্যান, কালক্রমে মনীষীগণ তাঁদের মহত্তম ধীশক্তি ও উচ্চতম আদর্শ দ্বারা ব্রহ্মধ্যান-পক্ষে ব্যাখ্যা করেছেন।

ওঙ্কার ব্রহ্মের প্রতীক। তৈত্তিরীয় উপনিষদে বলা হয়েছে
ওমিত্যেতদ্অক্ষরমিদং সর্বংভূতং ভবদ্ভবিষ্যদিতি সর্বমোঙ্কার এব, যচ্চান্যৎ ত্রিকালাতীতং তদপ্যোঙ্কার এব ‘ওম্‌’ শব্দের তিন মাত্রা— অকার, উকার ও মকার। সোঽয়মাত্মাঽধ্যক্ষরম্ ওঙ্কারোঽধিমাত্রং, পাদাঃ মাত্রাঃ, মাত্রাশ্চ পাদাঃ,  অকার উকারো মকার ইতি (মাণ্ডুক্য উপনিষদ্‌)
 I
ওঙ্কার  উপাসনার ফল সম্বন্ধে প্রশ্নোপনিষদে বলা হয়েছে
যঃ পুনরেতং ত্রিমাত্রেণ ওম্ইত্যনেনৈব অক্ষরেণ পরং পুরুষমভিধ্যায়ীত স তেজসি সূর্যে সম্পন্নঃ, যথা পাদোদরস্ত্বচা বিনির্মুচ্যতে এবং হ বৈ স পাপ্মনা বিনির্মুক্তঃ (৫ম প্রশ্ন/) 
যিনি এই তিনমাত্রা ওঙ্কারের উপাসনা করেন, তিনি সূর্যের মতো তেজসম্পন্ন হন এবং সাপ যেমন খোলস থেকে মুক্ত হয়, তেমনি তিনিও সমস্ত রকম পাপ থেকে মুক্ত হন এই ওঙ্কারের দ্বারা বিদ্বান্ব্যক্তি শান্ত, অজর, অমর, অভয় হন এবং পরম ব্রহ্মকে লাভ করেন

          নিরন্তর তিন বছর ধরে গায়ত্রী জপের ফল সম্বন্ধে মনুসংহিতায় বলা হয়েছে
যোঽধীতেঽহন্যহন্যেতাং ত্রীণি বর্ষাণ্যতন্দ্রিতঃ।
স ব্রহ্ম পরমভ্যেতি বায়ুভূতঃ খমূর্তিমান্‌’।।
--যিনি তিনবছর ধরে প্রতিদিন নিরলসভাবে ওঙ্কারাদিযুক্ত গায়ত্রী মন্ত্র জপ করতে পারেন, তিনি বায়ুর মতো যথেচ্ছাচারী হন এবং আকাশের মতো সর্বব্যাপী হয়ে পরম ব্রহ্ম লাভ করেন।
ওঙ্কার, প্রাণায়াম, গায়ত্রীজপ এবং সত্য সম্বন্ধে মনু বলেছেন—
‘একাক্ষরং পরং ব্রহ্ম প্রাণায়ামঃ পরং তপঃ।
সাবিত্র্যাস্তু পরং নাস্তি মৌনাত্ সত্যং বিশিষ্যতে’।।
--একাক্ষর ওম্‌ই পরম ব্রহ্ম, পুরক, কুম্ভক ও রেচক –এই তিনটি প্রাণায়াম শ্রেষ্ঠ তপস্যা, সাবিত্রী বা গায়ত্রীর পর আর কোন মন্ত্র নেই এবং মৌন থেকে সত্য উৎকৃষ্ট।

         ব্রহ্মোপাসনাই শ্রেষ্ঠ উপাসনা, অন্য সব গৌণ। ওম্‌ সমস্ত অক্ষরের মূল, সেইজন্য শুধু ওঙ্কার জপের মাধ্যমেই ব্রহ্মলাভ হয়। ছান্দোগ্য উপনিষদে (২/২/৩৪)ওঙ্কারের সর্বাত্মকতা সম্বন্ধে বলা হয়েছে—
‘তদ্‌ যথা শঙ্কুনা সর্বাণি পত্রাণি সংতৃণ্ণান্যেবমোঙ্কারেণ সর্বা বাক্‌ সংতৃণ্ণা, ওঙ্কার এবেদং সর্বম্‌’।
তৈত্তিরীয় উপনিষদে (১/৮/১) বলা হয়েছে— ‘ওমিতি ব্রহ্ম। ওমিতি সর্বম্‌’।
         প্রাণায়াম যোগসাধনার অঙ্গবিশেষ। এর তিনটি প্রক্রিয়া—পূরক, কুম্ভক ও রেচক। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে শ্বাসগ্রহণ হল পূরক, শ্বাসধারণ হল কুম্ভক এবং ধীরে ধীরে শ্বাসত্যাগ করা হল রেচক। ওঙ্কার, ব্যাহৃতিত্রয় (‘ভূঃ’, ‘ভুবঃ’ ও ‘স্বঃ’) এবং গায়ত্রী –এই তিনটি তিনবার করে আবৃত্তি করে প্রাণায়াম করতে হয়।
         ব্রহ্মপ্রাপ্তির সাধন বলে প্রাণায়াম শ্রেষ্ঠ তপস্যা। ত্রিপদা গায়ত্রী মন্ত্রের পর আর কোন মন্ত্র নেই। কারণ, গায়ত্রী হচ্ছে ব্রহ্মের মুখস্বরূপ। গায়ত্রীজপের দ্বারা সাধক সমস্ত রকম পাপ থেকে মুক্ত হয়ে পরিণামে ব্রহ্মকে লাভ করেন। সেইজন্যই ত্রিপদা গায়ত্রী সমস্ত মন্ত্রের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
মৌনভাব উৎকৃষ্ট, কিন্তু সত্য উৎকৃষ্টতর। মৌনতা বা বাকসংযম পরোক্ষ গুণ, মিথ্যা কথা বলা থেকে নিবৃত্ত করে, কিন্তু সত্য প্রত্যক্ষ গুণ। এতে বাকসংযম এবং শাস্ত্রীয় বিধিপালন উভয়ই থাকায় মৌন থেকে সত্য শ্রেষ্ঠ।এখানে সত্য মানে প্রণবাদিজপ।
         হোম, যাগযজ্ঞাদি ক্রিয়ার ফল ক্ষয় হয়ে যায়, কিন্তু ‘ওম্‌’ এই অক্ষর কখনও বিনষ্ট হয় না। এই অক্ষরই প্রজাপতি এবং তিনিই ব্রহ্ম—‘অক্ষরং ত্বক্ষরং জ্ঞেয়ং ব্রহ্ম চৈব প্রজাপতিঃ’ (মনু)।
যিনি হিংসা-দ্বেষশূন্য হয়ে সকলের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন হলেই তাকে ব্রাহ্মণ বলা হয়—
‘মৈত্রো ব্রাহ্মণ উচ্যতে’।

        ‘ভূঃ’, ‘ভুবঃ’ ও ‘স্বঃ’—এই তিনটিকে ব্যাহৃতিত্রয় বলে। ব্যাহৃতি মানে শব্দ (word) ব্যাহ্রিয়তে অসৌ ইতি ব্যাহৃতিঃ মনু বলেছেনপ্রজাপতি ব্রহ্মা উক্ত তিনটি ব্যাহৃতি যথাক্রমে ঋক্‌, সাম ও যজুর্বেদ থেকে দোহন করে তুলেছেন পণ্ডিত উমেশচন্দ্র বিদ্যারত্ন ব্যাহৃতির ব্যাখ্যা করেছেন—‘ব্যাহ্রিয়ন্তে বেদাঃ আসু ইতি ব্যাহৃতয়ঃ এখানে ব্যাহৃতি অর্থ স্থান যেখানে বেদ সঙ্কলিত হয়েছিল সেইজন্যভূঃঋগ্বেদের ব্যাহৃতি, ‘ভুবঃযজুর্বেদের ব্যাহৃতি এবংস্বঃসামবেদের ব্যাহৃতি বিভিন্ন অভীষ্ট বস্তু সর্বতোভাবে প্রদান করে বা বিশেষরূপে হরণ করে বলে এদের ব্যাহৃতি বলে ব্রহ্মকে ব্যাহৃতির অধিষ্ঠাতারূপে ধ্যান করার কথা বলা হয়েছে
          আসলে ওঙ্কার, ‘ভূঃ’, ‘ভুবঃ’ ও ‘স্বঃ’—এই তিনটি ব্যাহৃতি ও গায়ত্রী জপের জন্য শুদ্ধচিত্ত হতে হয় মন পবিত্র হলে কেউ গর্হিত কাজ করতে পারে না ব্রহ্ম সর্ববৃহৎ বা সর্বমহৎ সত্তা  বৃহতের বা মহতের চিন্তা বা অনুশীলন করলে মানুষের মধ্যে সৎচিন্তা সদ্‌ভাবনা, শুভবুদ্ধি ইত্যাদি মহৎ গুণগুলি বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকে
নিয়মিতভাবে শুদ্ধচিত্তে প্রাণায়াম সহ গায়ত্রীমন্ত্র জপ করলে মানুষের আত্মশক্তির বিকাশ ঘটে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে, মন অনেক উদার হয়, মনে শান্তভাব আসে, বুদ্ধি স্থির হয়, বিভিন্ন ধরণের স্ট্রেস থেকে মুক্ত থাকা যায়। আধুনিক যুগে সমাজে, কর্মক্ষেত্রে এবং নানা ঘটনায় মানুষ শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। সামান্যতম ব্যর্থতাতেও মানুষ ক্রমশঃ অসহিষ্ণু হয়ে  উঠছে। প্রায়ই অনেক সময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। High Blood Pressure, Diabetes এবং আর নানা ধরণের শারীরিক অসুবিধা এখন মানুষের নিত্যসঙ্গী এই সমস্ত ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য একটাই উপায়—Life-style modification. শুধু ওষুধ আর diet control-এর মাধ্যমে সব কিছু ঠিক হয় না এর সঙ্গে প্রাণায়ামযুক্ত গায়ত্রীজপের অভূতপূর্ব উপকারিতা আছে এখানে জাত-পাতের কোন ব্যাপার নেই যে কোন ধর্মের, যে কোন জাতের মানুষ এটা করতে পারেন এটা আসলে এক ধরণের meditation, breathing exercise এবং music therapy-র অপূর্ব সমন্বিত রূপ সঠিক পদ্ধতিতে অনুশীলন করলে কিছু দিনের মধ্যেই সুফল পাওয়া যায় সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত প্রাণায়াম এবং গায়ত্রী মন্ত্র জপের প্রকৃষ্ট সময় কোন কারণে দেরীতে ঘুম ভাঙলে পরেও করা যেতে পারে। এটা কোন ধর্মীয় ব্যাপার নয় এটা এক ধরণের exercise প্রতিদিন নি্যম মেনে করলে কিছুদিনের মধ্যেই শরীর এবং মনের পরিবর্তন বোঝা যায় শরীরে এবং মনে এক অন্য ধরণের energy পাওয়া যায় যাকে ভাষা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, শুধু অনুভব করা যায় আমি কতটা ঠিক বলছি তা যাচাই করে দেখা যেতে পারে
-----

Comments

Ads

Popular

১. প্রাচীনভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্র (Medical Science), ২. বাস্তুশাস্ত্রম্‌ (C-8, Unit II: Scientific and Technical Literature)

3rd Sem, SEC-1, Usage of words in day-to-day life-1

বহুল ব্যবহৃত কিছু ইংরেজি শব্দের সংস্কৃত প্রতিশব্দ—