ads

ad

2ND SEM (Hons in Sanskrit) Course Code : C-3, Unit I: Abhijñānaśakuntalam (Acts – 1 -5), Broad Questions-1 (3 questions)


2ND SEM (Hons in Sanskrit)
  Course Code : C-3,  Unit I: Abhijñānaśakuntalam  (Acts – 1 -5), Broad Questions-1 (3 questions)

१. कालिदासस्य अभिज्ञानशकुन्तम् इति नाटके प्रकृतेः यः प्रभावः दृष्टः सविमर्शं तदालोचयत।
अथवा, प्रकृतेः कविरूपेण कालिदासस्य मूल्यायनं क्रियताम्।

উত্তরম্‌-- সংস্কৃত কাব্য ও নাটকে প্রকৃতি ব্যাপক পটভূমিকায় বিধৃত। এই ব্যাপারে কালিদাস সকলের অগ্রণী।তিনি মানুষের আন্তর প্রকৃতি ও বহিঃপ্রকৃতির সার্থক রূপকার। কালিদাস প্রকৃতিকে কোথাও আলম্বন বিভাবরূপে, কোথাও মানুষের অন্তর্নিহিত ভাবপ্রকাশে, কোথাও বা শুধুই চিত্রকল্পরূপে ব্যবহার করেছেন। কুমারসম্ভবে, রঘুবংশে, ঋতুসংহারে, মেঘদূতে, বিক্রমোর্বশীয়ে, অভিজ্ঞানশকুন্তলে সর্বত্রই কবিপ্রতিভার স্পর্শে প্রকৃতি সঞ্জীবিত হয়ে উঠেছে।

ঋতুসংহারকাব্যে গ্রীষ্ম প্রভৃতি ছয় ঋতুর আবর্তনে প্রকৃতিরাজ্যে পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দেহে-মনে কেমন পরিবর্তন হয়, তা অপূর্ব চিত্রধর্মিতা ও গীতিধর্মিতায় কবি ব্যক্ত করেছেন। এখানে প্রকৃতি আলম্বন ও উদ্দীপন বিভাব হিসাবে কাজ করেছে।

মেঘদূতকাব্যে নদ-নদী-গিরি-নগরী এক একটি জীবন্ত চিত্ররূপে উপস্থিত হয়েছে। পূর্বমেঘে মেঘের গমনপথে প্রকৃতি বিচিত্ররূপে অঙ্কিত হয়েছে। সেখানে বিন্ধ্যপাদে বিশীর্ণা রেবানদী, চঞ্চল তরঙ্গায়িত বেত্রবতী, কদম্বপুষ্পে শোভিত নীচৈগিরি, বেণীভূত প্রতনুসলিলা সিন্ধু, মানসসরোবর, অমরকূট পর্বত প্রভৃতি চিত্রগুলি অনবদ্য। উত্তরমেঘে যক্ষবধূর এক একটি অবস্থা প্রকৃতির একটি একটি অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে কালিদাস বর্ণনা করেছেন।

কুমারসম্ভবম্‌ কাব্যে হিমালয় একটি চরিত্ররূপে চিত্রিত হয়েছে। কবি শ্লোকে শ্লোকে সু-উচ্চ হিমালয়ের মহিমা বর্ণনা করেছেন। এখানে অকাল বসন্তের বর্ণনা চমৎকার।
বিক্রমোর্বশীয়ম্‌ নাটকে উর্বশী লতায় পরিণত হয়েছেন। তাঁকে খুঁজতে খুঁজতে পুরূরবা উন্মাদপ্রায় হয়ে যান। সমস্ত প্রকৃতি তাঁর চেতনার রঙে রঞ্জিত হয়েছে।

রঘুবংশকাব্যে উত্তাল সমুদ্র, সজীব বনরাজির দৃশ্য, সীতাকে নির্বাসন দিতে আগত লক্ষ্মণকে তরঙ্গিত গঙ্গাপ্রবাহের নিষেধ, নির্বাসিতা সীতার দুঃখে প্রকৃতির কাতরতা প্রভৃতি বর্ণনায় কালিদাস প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছেণ।

অভিজ্ঞানশকুন্তলম্‌ নাটকে প্রকৃতিচিত্রণ সমগ্রতা লাভ করেছে। প্রস্তাবনা অংশে গ্রীষ্মকালের বর্ণনায় বিলাসিনীগণ ভ্রমর-চুম্বিত শিরীষকুসুমকে কর্ণভূষণ করেছে।

প্রথম অঙ্কে মালিনীতীরবর্তী মহর্ষি কণ্বের আশ্রম। শুকপাখিদের কোটর থেকে চ্যুত নীবার ধানের কণা পড়ে আছে। এখানে মানুষ ও প্রকৃতির নিবিড় আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ। এখানে হরিণেরা নির্ভয়ে বিচরণ করে। তরুলতা সোদরস্নেহে লালিত। এখানে অনসূয়া, প্রিয়ংবদা ও বনজ্যোৎস্নাকে আলাদা করা যায় না। সহকার (আম) তরুর সঙ্গে বনজ্যোৎস্নার মিলন সকলকে আনন্দ দেয়।

দ্বিতীয় অঙ্কে প্রকৃতির নৈর্ব্যক্তিক ছবি। এখানে গ্রীষ্মকালে মহিষের জলে অবগাহন, নির্ভয়ে মৃগকুলের রোমন্থন, জলশয়ে শূকরদের মুস্তাঘাস উৎপাটন বর্ণিত হয়েছে।

তৃতীয় অঙ্কে প্রকৃতি উদ্দীপন বিভাবরূপে কাজ করেছে। মালিনীতীরের নিভৃত বেতসকুঞ্জ, পদ্মগন্ধে সুরভিত বনবায়ু বিরহসন্তপ্ত নরনারীর হৃদয়াবেগকে উদ্দীপিত করে।

চতুর্থ অঙ্কে মানুষ ও প্রকৃতির নিবিড় বন্ধন সকলকেই আপ্লুত করে। তপোবনভূমিতে আজন্ম লালিত শকুন্তলা পতিগৃহে যাবেন। বনদেবতারা শকুন্তলাকে অলঙ্করণের জন্য দিয়েছেন ক্ষৌমযুগল, নানারকম অলঙ্কার এবং পা রাঙানোর জন্য লাক্ষারস। বনপ্রকৃতির সঙ্গে শকুন্তলার সম্পর্ক অচ্ছেদ্য।আশ্রমের গাছগুলিতে জল না দিয়ে শকুন্তলা কখনো জলপান করতেন না, সাজলে ভালবাসলেও স্নেহবশতঃ কখনো তিনি একটি পাতাও ছিঁড়তেন না, গাছগুলিতে প্রথম ফুল ফোটার সময়ে তাঁর আনন্দের সীমা থাকত না, সেই শকুন্তলা আজ পতিগৃহে যাবেন। মহর্ষি কণ্ব সকল আশ্রমতরুর কাছে শকুন্তলার গমনের অনুমতি চাইলেন। হঠাৎ একটি কোকিল ডেকে উঠল। কণ্ব বললেন— ‘অনুমতগমনা শকুন্তলা তরুভিরিয়ং বনবাসবন্ধুভিঃ’। বৃক্ষলতা যেন কোকিলরবের দ্বারা শকুন্তলাকে গমনের অনুমতি দিল।
শকুন্তলা স্বামির সঙ্গে মিলনের চিন্তায় ব্যাকুল, কিন্তু তপোবন ছেড়ে যেতে তাঁর মন চাইছে না। শকুন্তলার বিরহে তপোবনেরও একই অবস্থা—
‘উদ্গলিতদর্ভকবলা মৃগাঃ পরিত্যক্তনর্তনময়ূরাঃ’।
অপসৃতপাণ্ডুপত্রা মুঞ্চন্ত্যশ্রুণীব লতাঃ’।।

শকুন্তলা বনজ্যোৎস্নার কাছ থেকে বিদায় নিতে যান। কণ্ব বলেন— ‘অবৈমি তে তস্যাং সোদর্যস্নেহম্‌’। শকুন্তলা এগিয়ে চলেন। একটি হরিণশিশু শকুন্তলার আঁচল টেনে ধরে। এই হরিণশিশুটিকে শকুন্তলা নিজের হাতে বড় করেছেন। এর কথা ভেবে শকুন্তলার চোখ জলে ভরে যায়। শকুন্তলা চলে যাবার পর অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা বলেন—
‘শকুন্তলাবিরহিতং শূন্যমিব তপোবনং প্রবিশাবঃ’।

পঞ্চম অঙ্কেও প্রকৃতির প্রসঙ্গ এসেছে শকুন্তলাকে বর্ণনা করতে গিয়ে কবি বলেছেন
মধ্যে তপোধনানাং কিসলয়মিব পাণ্ডুপত্রাণাম্‌’, ‘অন্তস্তুষারং কুন্দমিব ইত্যাদি

ষষ্ঠ অঙ্কে প্রকৃতি অনুশোচনাগ্রস্ত দুষ্যন্তের হৃদ্দয়চ্ছবি
চূতানাং চিরনির্গতাপি কলিকা বধ্নাতি ন স্বং রজঃ
সন্নদ্ধং যদপি স্থিতং কুরবকং তং কোরকাবস্থয়া।
কণ্ঠেষু স্খলিতং গতেঽপি শিশিরে পুস্কোকিলানাং রুতং
শঙ্কে সংহরতি স্মরোঽপি চকিতস্তূর্ণাকৃষ্টং শরম্‌’।।
বসন্ত এসেছে, কিন্তু আমের মুকুলে পরাগ আসে নি। কুরবক কুঁড়ি হয়েই আছে, কোকিলের কণ্ঠ স্খলিত হচ্ছে।

সপ্তম অঙ্কে আকাশপথে দুষ্যন্তের  স্বর্গে গমনকালে প্রবহবায়ুর স্তর, মেঘমালা, মহর্ষি মারীচের আশ্রম, হেমকূট পর্বত, সিংহশিশুর সঙ্গে সর্বদমনের খেলা প্রভৃতিতেও কালিদাসের প্রকৃতিপ্রেমের পরিচয় পাওয়া যায়।

অতএব দেখা যাচ্ছে—কালিদাসের সমগ্র সৃষ্টিতে প্রকৃতি বিশাল ভূমিকা পাল করেছে। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এমন অন্তরঙ্গ সম্পর্ক বিশ্বসাহিত্যের আর কোথাও দেখা যায় না। প্রকৃতি কালিদাসের কাব্যে একটি জীবন্ত চরিত্র হয়ে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘শকুন্তলা’ প্রবন্ধে যথার্থই বলেছেন—
‘অভিজ্ঞানশকুন্তল নাটকে অনসূয়া-প্রিয়ংবদা যেমন, দুষ্যন্ত যেমন, তপোবনপ্রকৃতিও তেমনি একজন বিশেষ পাত্র।--প্রকৃতিকে মানুষ করিয়া তুলিয়া তাহার মুখে কথাবার্তা বসাইয়া রূপকনাট্য রচিত হইতে পারে, কিন্তু প্রকৃতিকে প্রকৃত রাখিয়া, তাহাকে এমন সজীব, এমন প্রত্যক্ষ, এমন ব্যাপক, এমন অন্তরঙ্গ করিয়া তোলা, তাহার দ্বারা নাটকের এত কার্য সাধন করাইয়া লওয়া, এতো অন্যত্র দেখি নাই’।
বলেন্দ্রনাথ বলেছেন--‘শকুন্তলায় এই প্রকৃতি নাটকের মেরুদণ্ড।–এই প্রকৃতি হইতে বিচ্ছিন্ন করিলে শকুন্তলার কিছুই অবশিষ্ট থাকে না’।
Dr. S. N. Dasgupta এবং S. K. De বলেছেন-- We find that the whole nature is a replica of the human world—the same feelings and emotions, the same passions and sorrows, the same feelings of tenderness, love, affection and friendship that are found to reign in the human mind, are also revealed in the same manner for Kālidāsa in and through all the objects of Nature.’

-----
 

२. कालिदासस्य अभिज्ञानशकुन्तम् इति नाटके हंसपदिकायाः गीतस्य नाटकीय-तात्पर्यम् आलोचयत।

উত্তরম্‌-- প্রতিটি নাটকে একটা চূড়ান্ত পরিণতি থাকে। সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য মূল কাহিনীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাট্যকারকে কিছু নতুন ঘটনা এবং চরিত্র সৃষ্টি করতে হয়। সেইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চরিত্রগুলির পারস্পরিক সঙ্ঘাতও দেখাতে হয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি ঘটনা ও চরিত্রসৃষ্টির পেছনে থাকে নাট্যকারের বিশেষ উদ্দেশ্য। অভিজ্ঞানশকুন্তলম্‌  নাটকে হংসপদিকার গানের মাধ্যমেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য সাধন করা হয়েছে।

চতুর্থ অঙ্কের শেষদিকে স্নেহপ্রবণ পিতা মহর্ষি কণ্বের কাছ থেকে যখন শকুন্তলার বিদায়দৃশ্য দেখি, তখন রাজা দুষ্যন্ত এই আদুরে কন্যাকে কিভাবে গ্রহণ করবেন তা ভেবে আমাদের হৃদয় আশঙ্কায় ভরে ওঠে। অনসূয়া ও প্রিয়ংবদার মতো আমরাও দুর্বাসার শাপের কার্যকারিতা বুঝতে পারি না। বরং আংটি পেলে সমস্ত আশঙ্কার অবসান হবে –এইরকম একটা আশা মনে মনে পোষণ করি। কিন্তু পঞ্চম অঙ্কের শুরুতেই সেই আশা নিদারুণভাবে আহত হয়। রাজার অন্তঃপুর থেকে ভেসে আসে হংসপদিকার বেদনার্তি মেশানো একটি গান—
‘অভিনবমধুলোলুপস্ত্বং তথা পরিচুম্ব্য চূতমঞ্জরীম্‌।
কমলবসতিমাত্রনির্বৃতো মধুকর ! বিস্মৃতোঽস্যেনাং কথম্‌’।।

আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না শকুন্তলাকে উদ্দেশ্য করেই এই গানের অবতারণা। চূতমঞ্জরী হল যৌবনপূর্ণ কমনীয়তা ও সৌন্দর্যের প্রতীক বনবিহারিণী শকুন্তলা এবং মধুকর হচ্ছেন রাজা দুষ্যন্ত যার প্রধান কাজ হচ্ছে এক ফুল থেকে আর এক ফুলে মধু খাওয়ার মতো এক নারী থেকে অন্য নারীতে সহজেই চলে যাওয়া। কমলবসতি হচ্ছে রাজার অন্তঃপুরে অবস্থান। তিনি অন্তঃপুরে আসামাত্র কি করে শকুন্তলাকে ভুলে গেলেন –এটাই এই গানের অন্তর্নিহিত অর্থ।

দুষ্যন্ত অন্যভাবে গানের মানে বুঝেছেন। তিনি ভেবেছেন--রাণী বসুমতীর কাছে থাকার জন্য আরেক রাণী হংসপদিকা নিপুণভাবে তাঁকে তিরস্কার করছেন। এই তিরস্কারপ্রাপ্তি তাঁর জীবনে নিত্যনৈমিত্তিক অভিজ্ঞতা। কিন্তু আমাদের মন বেদনাতুর হয়ে ওঠে যখন দেখি গান শুনেও দুষ্যন্তের ইষ্টজনের কথা মনে পড়ছে না। তিনি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁর কথা
‘কিং নু গীতমাকর্ণ্য ইষ্টজনবিরহাদৃতেঽপি বলবদুৎকণ্ঠিতোঽস্মি’ আমাদের মনে ক্ষীণ আসা জাগিয়ে দিয়ে যায়।

হংসপদিকার গান দুষ্যন্তের মনকে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছে যা নাটকীয়তার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, রাজার এইরকম পর্যাকুল মানসিক অবস্থার পরেই তিনি তপোবন থেকে আগত ঋষিকুমার শার্ঙ্গরব প্রমুখদের স্বাগত জানিয়েছেন। এরপর শকুন্তলাকে রাজার ধর্মত্নীরূপে প্রমাণ করার জন্য ঋষিকুমারদের  সঙ্গে বাদানুবাদে রাজার মনে যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে তা অধিকতর সূক্ষ্ম এবং আকর্ষণীয়। দুষ্যন্তের চরিত্র পঞ্চম অঙ্কের মতো আর কোথাও এত আকর্ষণীয় নয়। এর জন্য হংপদিকার গানের অবদান সবচেয়ে বেশী। রাজা যখন গভীর ও অস্পষ্টভাবে ইষ্টজনের বিরহের কথা ভাবছেন, কিন্তু মনে করতে পারছেন না ইষ্টজনটি কে, তখনই তাঁর সামনে শকুন্তলাকে উপস্থিত করা হয়েছে। তখন মুহূর্তের জন্য আশা জাগে রাজা হয়তো তাঁকে চিনতে পারবেন। কিন্তু শাপ ছিল অধিকতর বলবান্‌, তাই শকুন্তলার কথা তাঁর মিথ্যা বলে মনে না হলেও তাঁকে চিনতে পারেন নি। পরস্ত্রী বলে তিনি শকুন্তলাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। এইরকম নাটকীয়তা সৃষ্টি করে ঘটনাপ্রবাহকে আকর্ষণীয় করার জন্য হংসপদিকার গানের অবতারণা করা হয়েছে।

হংসপদিকার গানের মাধ্যমে দ্বিতীয় আর একটি উদ্দেশ্য সাধিত হয়েছে এবং তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় অঙ্কে দুষ্যন্ত শকুন্তলার সঙ্গে তাঁর গোপন প্রণয়ের কথা বিদূষকের কাছে স্বীকার করেছিলেন। পরে তিনি আশঙ্কা করেছিলেন--এই ব্রাহ্মণ চটুল স্বভাবের, এখান থেকে ফিরে গিয়ে অন্তঃপুরে যদি তাঁর নতুন সম্পর্কের কথা বলে দেন, তাহলে অশান্তি হতে পারে। তাই পরে তিনি বিদূষকের রাজধানীতে প্রস্থানকালে তাঁর হাত ধরে বলেছিলেন—
‘পরিহাসবিজল্পিতং সখে ! পরমার্থেন ন গৃহ্যতাং বচঃ’।
শকুন্তলা সম্বন্ধে তিনি যা বলেছেন তা পরিহাসমাত্র, তাতে সত্যতা বলে কিছু নেই। দুষ্যন্তের সামনে কণ্বশিষ্যদের সঙ্গে শকুন্তলার অবস্থানের সময় বিদূষক যদি সেখানে উপস্থিত থাকতেন, তাহলে তিনি দুষ্যন্তের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ তুলতে পারতেন এবং শকুন্তলার সঙ্গে রাজার পূর্বপ্রণয়ের স্বীকারোক্তি প্রকাশ করে দিতে পারতেন। তাতে নাটকে অযথা জটিলতা সৃষ্টি হত এবং নাটকটিকে সুষ্ঠু পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া সহজসাধ্য হত না। শুধু তাই নয়, মিথ্যা প্রমাণিত হলে দুষ্যন্তের চরিত্রও কলঙ্কিত হত। এই জটিলতা এড়ানোর জন্যই সুচতুরভাবে হংসপদিকার গানের অবতারণা করা হয়েছে।

গান শুনে দুষ্যন্তের মনে হয়েছে—হংসপদিকা নিপুণভাবে তাঁকে তিরস্কার করেছেন—
‘নিপুণমুপালব্ধোঽস্মি’। উপযুক্ত নাগরিকবৃত্তির দ্বারা হংসপদিকাকে শান্ত করার জন্য তিনি বিদূষককে অন্তঃপুরে পাঠিয়ে দেন। যাওয়ার সময় বিদূষক বলে যান-- হংসপদিকার হাত থেকে তিনি সহজে নিস্তার পাবেন না-- ‘গৃহীতস্য তয়া পরকীয়ৈঃ হস্তৈঃ শিখণ্ডকে তাড্যমানস্য অপ্সরসা বীতরাগস্যেব নাস্তি ইদানীং মে মোক্ষঃ’। এতে বিদূষককে শুধু শকুন্তলার কথা শোনা থেকে বিরতই করা হল না, দীর্ঘক্ষণের জন্য মূল দৃশ্যের বাইরেও রাখা হল যাতে কথাবার্তার মাঝখানে তাঁর আসার সম্ভাবনাই না থাকে।

হংসপদিকার গান তৃতীয় আর একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক নির্দেশ করে। এতে দুষ্যন্তের প্রাত্যহিক স্বভাব প্রতিফলিত হয়েছে। এটা তাঁর অভ্যাস—মৌমাছির মতো এক ফুল থেকে আর এক ফুলে মধু খাওয়ার মতো এক নারী থেকে অন্য নারীতে চলে যাওয়া। হংসপদিকার গান শোনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া ‘সকৃৎকৃতপ্রণয়োঽয়ং জনঃ’ থেকে এটা স্পষ্ট। যদিও অবচেতনে শকুন্তলার স্মৃতি অস্পষ্টভাবে কাজ করার ফলেই তিনি উদ্বিগ্ন হয়েছেন, কিন্তু হংসপদিকার জন্য তাঁর অনুভূতি অনেকটাই শীতল। এইগুলি তাঁর জীবনের প্রাত্যহিক ঘটনা। কাজেই হংসপদিকার গান প্রমাণ করে যে, দুর্বাসার শাপের দ্বারা যা ঘটেছে তা বিচ্ছিন্ন কোন ব্যাপার নয়, দুষ্যন্তের স্বভাবের মধ্যেই তার বীজ নিহিত ছিল। এখানে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন—
‘কবি নিপুণ কৌশলে জানাইয়াছেন, দুর্বাসার শাপে যাহা ঘটাইয়াছে স্বভাবের মধ্যে তাহার বীজ ছিল। কাব্যের খাতিরে যাহা আকস্মিক করিয়া দেখানো হইয়াছে তাহা প্রাকৃতিক’।

উপসংহার=-- হংসপদিকার গান কালিদাসের অনন্যসাধারণ উদ্ভাবনী শক্তির এক অনবদ্য সৃষ্টি। এর মাধ্যমে শকুন্তলার প্রত্যাখ্যানের ভূমিকা প্রস্তুত করে নাটকটিকে climax-এ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদূষককে দূরে সরিয়ে রেখে ঘটনার জটিলতা থেকে নাটকটিকে মুক্ত করা হয়েছে। এখানে দুষ্যন্তের চরিত্রেরও কিঞ্চিৎ আভাস দেওয়া হয়েছে। তা না হলে স্মৃতি ফিরে পাওয়ার পর দুষ্যন্তের চরিত্রের পরিবর্তন এবং সুস্থ মানবিক বোধে উত্তরণ ঠিকমতো বোঝা যেত না। নাটকের যে মূল theme দেহগত প্রেমকে দেহাতীত এক শাশ্বত মঙ্গলময় সৌন্দর্যলোকে উত্তীর্ণ করে দিয়ে একটা জীবনের সামগ্রিকতার পরিচয় দেওয়া তাও সম্ভব হত না। অতএব সমগ্র নাটকের পরিপ্রেক্ষিতে হংসপদিকার গানের অবদান অপরিসীম।
------


३. कालिदासस्य अभिज्ञानशकुन्तम् इति नाटकमवलम्ब्य अनसूया प्रियंवदा चेति चरित्रयोः सादृश्यं वैसादृश्यं च आलोचयत।

উত্তরম্‌-- চরিত্রচিত্রণ নাটকের প্রাণস্বরূপ। প্রতিটি চরিত্র সৃষ্টির মূলে নাট্যকারের বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে। সেই ব্যক্তিচরিত্রগুলি তাদের ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ, হৃদয়বত্তা, সংবেদনশীলতায় বিশিষ্ট হয়েও নাটকের মূল উদ্দেশ্য সাধনে বিশেষ অবদান রেখে যায়। অভিজ্ঞানশকুন্তলম্‌ নাটকে এমনই দুটি চরিত্র-- অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা।

অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা চরিত্রের সাদৃশ্য—

অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা শকুন্তলার অভিন্নহৃদয় সখী। শকুন্তলা ছাড়া তাদের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। তাঁকে কেন্দ্র করেই এই দু’জনের জীবন আবর্তিত। শকুন্তলার সুখ সম্পাদনে এরা সর্বতোভাবে সচেষ্ট। আশ্রমের গাছগুলিতে জলসেচন করা, লতাগুলির পরিচর্যা করার কাজে দু’জনেই শকুন্তলাকে সাহায্য করে। সরস হাস্য-পরিহাসে তারা শকুন্তলার সঙ্কোচ অনেকটাই দূর করে দিয়েছে। শকুন্তলার মানসিক উত্তরণে এরা দু’জন প্রধান অনুঘটকের কাজ করেছে। দুষ্যন্তকে দেখার পর তাঁকে পাওয়ার আশায় শকুন্তলার মানসিক পরিবর্তন দু’জনেই নিপুণভাবে পরযবেক্ষণ করেছে। একসময় শকুন্তলার অবস্থা অত্যধিক শোচনীয় হয়ে পড়লে তাঁকে বাঁচাতে নিভৃত লতাকুঞ্জে নায়ক-নায়িকাকে পরস্পর জানার, মনের কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে।

শকুন্তলাকে বিবাহ করে দুষ্যন্ত রাজধানীতে ফিরে গেলে তারা উভয়েই চিন্তান্বিত হয় এবং শকুন্তলা যাতে সুখী হন, সেইজন্য তারা তাঁর সৌভাগ্যদেবতার পূজাও করে। শকুন্তলা স্বামীর চিন্তায় মগ্ন থাকার ফলে ঋষি দুর্বাসার দ্বারা কঠোরভাবে অভিশপ্ত হন। অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা এতে অত্যধিক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এবং প্রিয়ংবদা অনেক অনুনয় করে শাপনিবৃত্তির একটা উপায়ও জেনে নেয়। তাদের সখীস্নেহ এত গভীর যে, শকুন্তলা যাতে কিছুতেই এই শাপের কথা জানতে না পারে, সেইজন্য দু’জনের মধ্যেই তা গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। শকুন্তলাকে রক্ষা করাই একমাত্র কর্তব্য বলে তারা মনে করে। শকুন্তলা যখন পতিগৃহে যাত্রা করেন তখন তাঁর বিচ্ছেদে দু’জনেই কাতর হয়ে পড়ে।

অনসূয়া ও প্রিয়ংবদার চরিত্রের বৈসাদৃশ্য—

অনসূয়া ও প্রিয়ংবদার চরিত্রের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি তাদের চরিত্রে বৈপরীত্যও সমধিক প্রকটিত। প্রিয়ংবদা একটু হাসিখুশি, কিছুটা লঘু স্বভাবের এবং কোন কিছু গভীরভাবে চিন্তা করে না। অপরদিকে অনসূয়ার জীবনবোধ একটু গভীর, স্বভাবে ধীর-স্থির, সবকিছু যুক্তি দিয়ে বিচার করে।
শকুন্তলাকে নিয়ে কৌতুক করা প্রিয়ংবদার খুবই প্রিয়। কেশরবৃক্ষের তলায় শকুন্তলা দাঁড়ালে প্রিয়ংবদা তাঁকে কৌতুক করে বলে-- ‘হলা শকুন্তলে, অত্র এব তাবৎ মুহূর্তকং তিষ্ঠ। যাবৎ ত্বয়া উপগতয়া লতাসনাথ ইব কেশরবৃক্ষকঃ প্রতিভাতি’।

শকুন্তলা বনজ্যোৎস্নাকে একটু বেশী মাত্রায় দেখলে প্রিয়ংবদা তাঁকে বলে-- ‘যথা বনজ্যোৎস্না অনুরূপেণ পাদপেন সঙ্গতা অপি নাম অহমপি আত্মন অনুরূপং বরং লভেয় ইতি’।

অনসূয়া একটু অন্যরকমের। তার শিষ্টাচারের জ্ঞান প্রবল। ভ্রমরবৃত্তান্তের মাধ্যমে দুষ্যন্ত তাদের সামনে উপস্থিত হলে শকুন্তলা সঙ্কোচে অবনতমুখী হন। অনসূয়া তাঁকে অতিথিসৎকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলে--  ‘হলা শকুন্তলে, গচ্ছ উটজম্‌। ফলমিশ্রম্‌ অর্ঘ্যম্‌ উপহর। ইদং পাদোদকং ভবিষ্যতি’।
দুষ্যন্তকে দেখে শকুন্তলা মুখ নীচু করলে অনসূয়াই তাঁকে অতিথিসেবার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। অনসূয়ার স্বভাব কিছুটা অভিভাবক ধরণের। দুষ্যন্ত সবাইকে বসতে বললে অনসূয়া শকুন্তলার সঙ্কোচের কথা জেনেও ভদ্রতার খাতিরে অতিথির পাশে বসা উচিৎ বলে জানায়—
‘হলা শকুন্তলে, উচিতং নঃ পর্যুপাসনম্‌ অতিথীনাম্‌। অত্র উপবিশামঃ’।

রাজা দুষ্যন্ত সম্বন্ধে তিন জনেরই কৌতূহল থাকলেও অনসূয়াই তাঁর পরিচয় জিজ্ঞাসা করে এবং তপোবনে আগমনের কারণ জানতে চায়--  ‘কতমঃ আর্যেণ রাজর্ষিবংশঃ অলংক্রিয়তে, কতমঃ বা বিরহপর্যুৎসুকজনঃ কৃতঃ দেশঃ, কিং নিমিত্তং বা সুকুমারতরঃ অপি তপোবনপরিশ্রমস্য আত্মা পদম্‌ উপনীতঃ’?  অনসূয়ার ভেতরে সঙ্কোচও অনেক কম। সে নির্দ্বিধায় অপরিচিত রাজার কাছে শকুন্তলার জন্মবৃত্তান্ত বলে।

প্রিয়ংবদা লঘুস্বভাবের হলেও মানুষের মনোবৃত্তি বুঝতে পারে। শকুন্তলা সম্বন্ধে সেই প্রথম দুষ্যন্তের মনোভাব ধরতে পেরেছিল। শকুন্তলা দুষ্যন্তের জন্য অতিমাত্রায় কাতর হলে তাঁদের মিলন কি করে তাড়াতাড়ি অথচ গোপনে করা যায় এই বিষয়ে অনসূয়া সংশয় প্রকাশ করেছিল। প্রিয়ংবদা বলেছিল-- ‘নিভৃতমিতি চিন্তনীয়ম্‌, শীঘ্রমিতি সুকরম্‌’। অনসূয়া এই বিষয়ে একেবারেই অনভিজ্ঞ। প্রিয়ংবদা দুষ্যন্তের বিভিন্ন অবস্থার বর্ণনা দিয়ে অনসূয়াকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দেয়।

শকুন্তলার প্রণয়-ব্যাপারে প্রিয়ংবদা একটু বেশী সক্রিয়। পদ্মপত্রে নিজের মনের কথা লিখে জানানোর জন্য সে শকুন্তলাকে পরামর্শ দেয়-- ‘তেন হি আত্মন উপন্যাসপূর্বকং চিন্তয় তাবৎ কিমপি ললিতপদবন্ধম্‌’। ‘এতস্মিন্‌ শুকোদরসুকুমারে নলিনীপত্রে নখৈঃ নিক্ষিপ্তবর্ণং কুরু’। শকুন্তলাকে সঙ্কটাপন্ন অবস্থা থেকে মুক্ত করার জন্য সে রাজার কাছে আবেদন জানায়--  ‘আপন্নস্য বিষয়নিবাসিনঃ জনস্য আর্তিহরেণ রাজ্ঞা ভবিতব্যম্‌ ইতি বঃ ধর্মঃ’। আবার, নায়ক-নায়িকাকে পরস্পরের কাছে মনের কথা বলার সুযোগ করে দিয়ে অনসূয়াকে নিয়ে লতাকুঞ্জ থেকে সরে যায়।

অপরদিকে অনসূয়া মনের তাৎক্ষণিক তৃপ্তির চেয়ে সমগ্র জীবনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থায়ী সুখের কথাই বেশী করে ভাবে। তাই দুষ্যন্তকে বলতে সে দ্বিধা করে নি--  ‘বয়স্য, বহুবল্লভা রাজানঃ শ্রূয়ন্তে। যথা নৌ প্রিয়সখী বন্ধুজনশোচনীয়া ন ভবতি তথা নিবর্তয়’। এই কথার উত্তরে দুষ্যন্ত শকুন্তলা সম্বন্ধে উচ্চ মর্যাদার প্রতিশ্রুতি দেন--  
‘পরিগ্রহবহুত্বেঽপি দ্বে প্রতিষ্ঠে কুলস্য মে।
সমুদ্রবসনা চোর্বী সখী চ যুবয়োরিয়ম্‌’।।

শকুন্তলার ব্যাপারে দুজনের ধারনা ভিন্ন ধরণের। অনসূয়ার চিন্তার কারণ--দুষ্যন্ত রাজধানীতে ফিরে গিয়ে অন্তঃপুরে বিলাস-ব্যসনে কাল যাপন করে শকুন্তলার কথা স্মরণ করতে পারবেন কি না। কিন্তু প্রিয়ংবদা এই বিষয়ে নিশ্চিন্তদুষ্যন্তের গম্ভীর আকৃতি এবং মধুর ব্যবহারে সে খুবই প্রভাবিত। তার মতে--  ‘ন তাদৃশা আকৃতিবিশেষা গুণবিরোধিনো ভবন্তি’। কিন্তু তার চিন্তা অন্যখানে--  পিতা কণ্ব এই বিবাহ অনুমোদন করবেন কি না। অনসূয়া লোকচরিত্র সম্বন্ধে একটু বেশী অভিজ্ঞ। তার স্থির বিশ্বাস—পিতা কণ্ব মন থেকে এই বিবাহ অনুমোদন করবেন। কারণ সে জানে-- ‘গুণবতে কন্যা প্রতিপাদনীয়া ইত্যয়ং তাবৎ তাতস্য প্রথমঃ সঙ্কল্পঃ। তদ্‌ যদি দৈবমেব সম্পাদয়তি, ননু অপ্রয়াসেন কৃতার্থঃ গুরুজনঃ’।

উপসংহার--  অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা শকুন্তলার প্রতি সমান স্নেহশীলা হলেও স্বভাবধর্মে অনেক ভিন্ন। শকুন্তলা-চরিত্রের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য এই দু’জনের অবদান অসামান্য। শকুন্তলা ছাড়া এদের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। আবার এই দু’জন ছাড়া শকুন্তলাও অপূর্ণ। আশ্রমের সহজ সরল বালিকা শকুন্তলাকে কঠোর বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড় করাবার জন্য যে মানসিক প্রস্তুতি দরকার তা অনসূয়া ও প্রিয়ংবদার মাধ্যমে করা হয়েছে। এখানেই চরিত্র দুটির সার্থকতা এবং কালিদাসও তাঁর উদ্দেশ্য সাধনে সফল। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘কাব্যে উপেক্ষিতা’ প্রবন্ধে বলেছেন--  ‘একা শকুন্তলা শকুন্তলার এক তৃতীয়াংশ। শকুন্তলার অধিকাংশই অনসূয়া এবং প্রিয়ংবদা, শকুন্তলাই সর্বাপেক্ষা অল্প’।
--------

Comments

Ads

Popular

১. প্রাচীনভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্র (Medical Science), ২. বাস্তুশাস্ত্রম্‌ (C-8, Unit II: Scientific and Technical Literature)

বহুল ব্যবহৃত কিছু ইংরেজি শব্দের সংস্কৃত প্রতিশব্দ—

3rd Sem, SEC-1, Usage of words in day-to-day life-1